রক্তের বন্ধন যুব সংগঠন তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচতে পারে একটি প্রান

সচেতনতা

নাসরীন আক্তারের লেখা কবিতা “”পেয়াজ””

0

 

স্টাফ রিপোর্টার:টুটুল 

এখন পেঁয়াজের দাম এত বেশি,
চারদিকে তার ঝাঁজ,
পেঁয়াজবিহীন রান্না চলিবে কেমন করিয়া আজ!
তুচ্ছ পেঁয়াজ কেমন করিয়া হইয়া গিয়াছে দামী!
তখনও কাঁদাতো এখনও কাঁদায় সবাইকে?
আমরা কাঁদিয়ে ফেরি করিতেছো আমার সকল কাল।”

রাঁধিতে রাঁধিতে খুন্তি নাড়িয়ে কহিল কতো যে কথা,
পেঁয়াজের ঝাঁজ ছড়িয়ে পড়েছে নিরবতা।

পেঁয়াজ
যদি ছাড়িতেই হয় দুঃখিত মনে কাঁদো কাঁদো আবার দেখা হবে,
পেঁয়াজ ছারা বাঁচিবো কেমনে এই ভূখণ্ডে— একা!
একটা পেঁয়াজে গোস্ত রেঁধেছি— তখন না হয় কব্জি ডুবায়ে খাবা।”

খাঁটি বাঙালি, পেঁয়াজবিহীন কেমন করিয়া বাঁচি,
খোসা ছাড়ায়ে দাও তো একটা, গন্ধ শুঁকেই নাচি।
খাওয়া-দাওয়া তো বড় কথা নয়, বড় কথা আজ পেঁয়াজ
এত দাম।
গুদমে এত পেঁয়াজ রেখেছে যে-
সে তো বিরাট ধনি।

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

রক্তের বন্ধন যুব সংগঠনের পরিচালনায় বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ ও সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

0



আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তায়ালার অসিম কৃপায় খুবই সুন্দর ভাবে সম্পূর্ণ হলো দুর্গাপুর যুব সমাজের এর উদ্যোগে এবং রক্তের বন্ধন যুব সংগঠনের এর সহযোগিতায় বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, গর্ভবতি মায়ের যত্ন নিয়ে সচেতনতা সহ আরো সচেতনতামূলক কাজ এবং বিশেষ করে থ্যালেসেমিয়া সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি মূলক ক্যাম্পেইন । ১৭০+ শিক্ষার্থীদের রক্তের গ্রুপ নির্নয় করে রক্তের গ্রুপ জানিয়ে দিতে পেরেছি । শুভ কামনা ও অফুরন্ত ভালোবাসা ওই সকল ছোট্ট তরুণ-তরুণীদের যারা ১৮ বছর এবং ওজন ৫০ কেজি হলে রক্তদান করবে বলে ইচ্ছা প্রকাশ করে নিজেকে আত্ম মানবতার সেবায় নিয়োজিত রাখতে চায়। আরো ১৮ বছর পর্দপন করা অনেক ভাই এবং বোন রক্তের গ্রুপ টেস্ট করে সংগঠনের সদস্য হলেন এবং রক্তদানে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন

বিশেষ ধন্যবাদ সকল শিক্ষক ও দু্র্গাপুরের যুব সমাজকে যাদের সহযোগিতায় আজকের ক্যাম্পেইন সফল ভাবে সম্পূর্ণ করতে পেরেছি।

তারিখঃ ০৩-১০-১৯ইং (বৃহস্পতিবার)
স্থানঃ মাধ্যমিক বিদ্যালয় দুর্গাপুর
সময়ঃ সকাল ১০ টা – বিকেল ৩টা।

আপনার নিজের প্রতিষ্ঠান, সন্তান বা আত্মীয়ের প্রতিষ্ঠানে আয়োজন করে যদি আমাদের এই ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ করতে চান তবে যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সাথেঃ

মোবাইলঃ ০১৩১৭৫১৫১৬১
রক্তের বন্ধন যুব সংগঠন
https://www.facebook.com/groups/737955696567515/

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

ডাঃদীপু মনির বিয়ে নিয়ে কিছু কথা

0

🌺যৌন চাহিদা হচ্ছে ক্ষুধার মতো!🌺

ক্ষুধা লাগলে যেমন খাবার প্রয়োজন হয় , তেমনি নারী পুরুষ একটি নির্দিষ্ট বয়সে উপনীত হলে তাদের যৌন চাহিদা সৃষ্টি হয় ৷

এটা আল্লাহর একটি সৃষ্টি। তাই প্রতিটি ছেলে মেয়ের উপযুক্ত বয়সে বিবাহ হওয়াটাই শ্রেয়।

কিন্তু আমাদের সমাজে পড়াশোনার নামে , ক্যারিয়ার গড়ার নামে উপযুক্ত সময় থেকে অনেক পরে ছেলে-মেয়েদের বিবাহ দেয়া হয়।
ফলে যৌন চাহিদার বর্শবর্তি হয়ে যেনা ব্যভিচারে পা বাড়ায় যুবক যুবতীরা ৷

আর এমনটা হওয়াই স্বাভাবিক ৷ কারণ আপনি যদি একটি বিড়াল পালেন , আর তাকে খেতে না দেন তাহলে সুযোগ পেলেই বিড়াল আপনার হাড়ির খাবার চুরি করবে ৷

অভিভাবকরা ইচ্ছে করেই ছেলেমেয়ের বিয়ে দেরীতে দিচ্ছে , সুতরাং যেনা তো হবেই ৷ আপনার মেয়ে অন্য ছেলের সাথে তো পালাবেই ৷ এটা আপনারই কর্মফল ৷

সরকারি বিধান মোতাবেকও যদি একজন নারীর বিয়ের বয়স ১৮ বছর এবং একজন পুরুষের বিয়ের বয়স ২১ বছর হয় তারপরও অনেক অভিভাবকেরা ছেলের বয়স নিয়ে গেছে ৩০/৩৫ এ এবং মেয়ের বয়স নিয়ে গেছে ২৫/২৮ এ ৷

অথচ ইসলামিক রাষ্ট্রে ছেলে মেয়েদের এত দেরীতে বিবাহ দেয়ার কোনো সুযোগ নেই ৷

অভিভাবকের কাছে এখন বিবাহ হয়ে গেছে কঠিন তাই যেনা হয়েছে সহজ ৷
এর জন্য এই সমস্ত সহীহ দ্বীনহীন অভিভাবকরাই দায়ী!

আল্লাহ্ প্রতিজ্ঞাও করেছেন “ বিয়ে করলেই তোমাদের ধনী করে দিবো।”

তবুও মেয়ে বিয়ে দেয়ার সময় কেবলই চাকুরীজীবী ছেলে খোজাটা মূলত আল্লাহ্’র উপর অনির্ভরশীলতা’র ইঙ্গিত।

আমি তো মনে করি,

“একটা ভালো চাকুরী’র পূর্বশর্তই হচ্ছে “বিয়ে”।

কেননা, তখন তাকে রিজিক প্রদান করার দায়িত্ব স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা নিয়ে নেন।

পড়ুন সেই মহাপবিত্র আয়াতে কারীমা…

” ﻭﺃﻧﻜﺤﻮﺍ ﺍﻻﻳﺎﻣﻲ ﻣﻨﻜﻢ ﻭ ﺍﻟﺼﺎﻟﺤﻴﻦ ﻣﻦ ﻋﺒﺎﺩﻛﻢ ﻭ ﺇﻣﺎﺋﻜﻢ ﺇﻥ ﻳﻜﻮﻧﻮﺍ ﻓﻘﺮﺍﺀ ﻳﻐﻨﻬﻢ ﺍﻟﻠﻪ “

(তোমাদের মধ্য হতে যারা বিবাহহীন তাদের বিবাহ দিয়ে দাও এবং দাস-দাসীদের মধ্যে যারা সৎ তাদেরকেও। তারা যদি নিঃস্বও হয়ে থাকেন তবে স্বয়ং আল্লাহ্ তাকে ধনী বানিয়ে দেবেন)
– সূরা নুর। আয়াতঃ ৩২।

.অবশ্য উক্ত আয়াতে বিবাহহীনদের অবিভাবকদেরকেই আল্লাহ্ এ আদেশ করেছেন। কেননা আল্লাহ্ জানেন, অবিভাবকেরা কি সব চিন্তা করেন।

অবস্থা এমন দাড়িয়েছে যে কেউ বিয়ে করতে চাওয়া সামাজিকভাবে খারাপ চোখে দেখা হয়।
আমাদের সমাজে কেউ কারো বিয়ের কথা শুনলে মানুষ এতাটাই অবাক হয় যে অবৈধভাবে প্রেম ভালোবাসা যেনা করলেও এতোটা অবাক হয়না।
বিষয়টা এখন সম্পূর্ণ উল্টো হয়ে গেছে,আগে মানুষ প্রেম ভালোবাসার কথা শুনলে অবাক হতো লজ্জা পেত, এখন তার বিপরীত।
এ কারণেই আজ আমাদের সমাজের এত অধঃপতন।

ছেলে বিয়ে করে মেয়েকে খাওয়াবে কি..!?
আপনার আরেকটা মেয়ে থাকলে তাকে খাওয়াতেন না? তাহলে সমাজকে পাপমুক্ত করার জন্যে নিজের মেয়েকে বিয়ে দিয়ে অন্যের ঘরে তুলে দিয়ে, ছেলেকে বিয়ে করিয়ে অন্যের মেয়েকে ঘরে তুলে নিজের মেয়ের এখনো বিয়ে হয়নি মনে করে অন্যের মেয়েকে খাওয়াতে অসুবিধা কোথায়??

শুধু প্রতিষ্ঠিত ছেলের সাথেই বিয়ে দিতে হবে এই চিন্তা কেন আসবে..?
প্রতিষ্ঠিত বলতে কি বুঝেন আপনি..?
ভুলে যাবেননা মানুষের ভাগ্য” হায়াত মউত এগুলো মানুষের হাতে থাকেনা কখনো বলেও আসেনা।
ধরুন,আজকে আপনি একজন ভালো চাকুরীজীবি প্রতিষ্ঠিত ছেলের সঙ্গে আপনার মেয়েকে বিয়ে দিলেন,দুর্ভাগ্যবশত বিয়ের পরে তার মৃত্যু হলে বা তার চাকুরী চলে গেলো তখন কি করবেন.?
তাই প্রতিষ্ঠিত নয়,একজন ভালো নামাজি দ্বীনদার ছেলে দেখেই বিয়ে দিন,এতে তারা সাময়িক কিছু করতে না পারলেও তাদের দ্বীনদারীত্বের কারনে আল্লাহর রহমত অবধারিত থাকবে, এবং ভাল একটা কিছুর ব্যবস্থা হবে ইনশাআল্লাহ ।
আর বদবখত,লম্পট, প্রতিষ্ঠিত ছেলে দেখে দিবেনতো বিয়ের পরে পস্তাতে হবে,যতই প্রতিষ্ঠিত হউক আল্লাহর রহমত না থাকলে গজব অবধারিত।
টাকা পয়সা মানুষ্কে সুখ শান্তি এনে দিতে পারেনা।

সুতরাং,আপনার মেয়েকে বিয়ে দিয়ে ছেলেকে বিয়ে করিয়ে সমাজের অসংখ্য ছেলেকে চারিত্রিক শুদ্ধতা নিয়ে বেড়ে উঠতে সহযোগিতা করুন।নিশ্চই এখন যে ছেলেটা বেকার সেই কয়দিন পর প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিয়ে করবে। তখন কিন্তু তার চাহিদাও বেড়ে যাবে। প্রতিষ্ঠিত হয়েই যখন বিয়ে করতে হল, তখন ভাল দেখেই বিয়ে করি। তখন দেখা যায় এসকল আপুদের আর বিয়ে হয় না।আবার কোন কোন অবিভাবক লেখা-পড়া শেষ করার আগে বিয়ে দিতে চায়না,ফলে মেয়ের বয়স বেড়ে যায় প্লাস চেহারার লাবন্নতা নষ্ট হয়। বয়স্ক মেয়েকে কেউ বিয়ে করতে চায়না আরো যদি লাবন্নতা হ্রাস পায়,তাহলেতো কথায় নাই।তাই দেখা যায় অনেক আপুদের বিয়ে হচ্ছেনা বলে অবিভাবকদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে।কয়েক বছর আগেও যে সকল প্রস্তাব নাকোচ করে দিয়েছি,এখন তাদের হয় বিয়ে হয়েছে তা নাহলে এখন আর তারা আগ্রহী নয়।তো আসুন সবাই বিয়েকে তথা হালালকে সহজ করি এবং প্রেম তথা হারামকে কঠিন করি।

ছেলে-মেয়েকে বিয়ে দিন সাবালক হলেই…

আপনি যদি বর্তমান সমাজ ব্যবস্থার কলুষিত দিকগুলো দেখেন তার অধিকাংশের কারণ মূলত বিয়েতে দেরি করা। তা আপনি বুঝুন আর না-ই বুঝুন!

পিতা-মাতা তথা অভিভাবকদের জন্য দুটি দিকে খুবই দায়িত্ববান হওয়া দরকার। সন্তান লালন-পালনে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। সন্তানকে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে। বিয়ের উপযুক্ত বয়স হলেই বিয়ে দিতে হবে।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যার কোনো সন্তান জন্ম লাভ করে সে যেন তার সুন্দর নাম রাখে এবং তাকে উত্তম আদব-কায়দা শিক্ষা দেয়। যখন সে বালেগ হয় তখন যেন তার বিবাহ দেয়। যদি সে বালেগ হয় এবং তার বিবাহ না দেয় তাহলে সে কোনো পাপ করলে, সে পাপ তার পিতার উপর বর্তাবে।’ (বায়হাকী, মিশকাত হা/৩১৩৮)।

বিবাহের বয়স হওয়ার পর ছেলেমেয়ে যত ধরনের অবৈধ সম্পর্ক,যেনা ব্যভিচার করবে সেই পাপ ঐ ছেলেমেয়ের পিতার বা অভিবাকের হবে ।

📛 অতএব,
আপনি ও আপনার সন্তানকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করতে ও সুন্দর সমাজ গড়তে
আপনার সন্তানকে সামর্থ্য থাকলে বিয়ে দিয়ে দেন তাড়াতাড়ি।
:
আল্লাহ বলেনঃ
চরিত্র রক্ষার জন্য যারা বিয়ে করবে তারা যদি অভাবি হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দিবেন। (সুরা নুর : ৩২)

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

রক্তদানের পর কি কি করণীয়

0


১. রক্তদেয়ার পর কমপক্ষে ৫-১০ মিনিট শুয়ে
থাকা। সাথে সাথে ওঠে গেলে মাথা ঘুরে
অজ্ঞান হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
২. বেড থেকে ওঠে বেশি বেশি ওরস্যালাইন
মিক্সড করা পানি পান করা, এতে রক্তের জলীয়
অংশের ঘাটতি পূরণ হবে।
৩. ব্লাড ব্যাংকে রক্তদান করলে ডোনার কার্ড
নেয়া। হাসপাতাল থেকে কোন প্রকার ডোনার
কার্ড দেয়া হয়না। তবে রাতের বেলায় রক্তদান
করলে তাদের থেকে একটি রিপোর্ট প্রিন্ট
করে নিবেন প্লিজ। এরফলে পুলিশ হয়রানি
থেকে রক্ষা পাবেন।
৪. স্কিনিং টেষ্ট এর রিপোর্টের কপি নেয়া। এই
রিপোর্টের কপি চেয়ে নিতে হবে।
৫. যে হাত থেকে রক্তদান করেছেন,
কমপক্ষে ২৪ ঘন্টা সে হাতে ভারী কোন কিছু
না নেয়া। এতে ব্লিডিং হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
৬. যেদিন রক্তদান করবেন, সেদিন রাতেMd
ঘুমানের সময় বিপরীত কাত হয়ে ঘুমানো। অর্থাৎ
ডান হাত থেকে রক্ত দিলে বাম কাত হয়ে
ঘুমানো, অথবা বাম হাত থেকে রক্ত দিলে ডান
কাত হয়ে ঘুমানো উচিত। এতে হাতে রক্ত-
সঞ্চালনে বাঁধা সৃষ্টি হবেনা।
৭. কমপক্ষে ২ দিন অতিরিক্ত বিশ্রাম নেয়া।
এরফলে দূর্বলতা কেটে যাবে।
৮. হাতে কোন প্রকার ম্যাসাজ/মালিশ না করা।
এরফলে ব্লিডিং হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
৯. অনেক সময় দেখা যায়- সুই ঢোকানোর
স্থানসহ আশে-আশে চামড়ার নিচের অংশ কালচে
রং হয়ে যায়, এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এক-দুই দিন
পর ঠিক হয়ে যাবে। কোন প্রকার মালিশ/ম্যাসাজ
করবেননা প্লিজ।
১০. রক্তদানের কার্যক্রম বেশি বেশি প্রচার করা,
এতে অন্যরা উৎসাহিত হবে।
১১. Whole Blood দিলে কমপক্ষে ৩-৪ মাস পর
পুনরায় রক্তদান করা। অনেকেই আবেগের তারনায়
২ মাস পরও রক্ত দিয়ে দেয়। এরফলে নিজেরও
ক্ষতি হবে এবং রোগীরও উপকার হবেনা। কারন-
আপনার শরিরের পর্যাপ্ত পরিমানে
হিমোগ্লোবিনের সৃষ্টি হয়নি। এভাবে নিয়ম
মেনে রক্তদান না করলে আপনারই রক্ত-স্বল্পতা
দেখা দিতে পারে এবং বেক-পেইন হওয়ার
সম্ভাবনা থাকে।
১২. যেদিন রক্তদান করেছেন, সেই দিনের
তারিখটি নোট করে রাখুন। এরফলে পরবর্তি
রক্তদানের তারিখ কবে হবে তা বের করে
নিতে পারবেন।
রক্তদানে কোন প্রকার ক্ষতি নেই। তবে নিয়ম
মেনে রক্তদান না করলে ক্ষতি আছে। তাই
সবাইকে অনুরোধ করবো- নিয়মগুলো মেনে
চলুন।

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

সচেতনতা ছড়িয়ে যাক,বাংলাদেশ নিরাপদে থাক

0

১. ঢাকায় এলে কখনো বাসে জানালার পাশে বসে মোবাইল টিপবেন না। কখন নিয়ে যাবে,
টের পাবেন না।

২. রিকশাতে বসে কোলের ব্যাগ রাখবেন না। পাশ থেকে মটরসাইকেল কিংবা গাড়িতে করে এসে হ্যাচকা টান দেবে।

৩. রাস্তায় কিছু খাবেন না, কিছুই না। দূরপাল্লার যাত্রা হলে বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসুন অথবা প্যাকেটজাত কিছু খান।
পাশের যাত্রী কিছু দিলে খান না, তাতে কি?
হয়তো যে পানি বা ডাব কিনলেন, বা
অন্যকিছু তাতেই থাকতে পারে ঔষধ।

৪. ট্রেন জার্নিতে দরজার পাশে, দুই বগির পাশে দাড়াবেন না। কিংবা যতোই ভালো লাগুক দরজায় দাঁড়িয়ে সিগারেট খাবেন না। ট্রেনের ছাদে চলাচল যতোই রোমান্টিক লাগুক, যে গ্যাং গুলো ছিনতাই করে, তারা খুবই নির্দয় এবং বেপরোয়া। অনেক
যাত্রীর লাশ পাওয়া যায় সারাদেশের ট্রেন লাইনের আশেপাশে। বেশিরভাগই বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন
করে ফেলা হয়।

৫. কপাল খারাপ হলে ছিনত্যাইয়ের শিকার হবেন। ধরা যাক হলেন। কি করবেন ? ছিনতাইকারী বেশ কয়েকজন। আপনি একা, চারপাশে কেউ নেই। আপনাকে ঘেরাও করে রেখেছে। আপনার পকেটে দামী ফোন। এসবক্ষেত্রে ভালো হয় ফোনের মায়া ত্যাগ করা। কারণ যারা ছিনতাইকারী তাদের বেশিরভাগই নেশাগ্রস্থ।
আপনার জীবনের দাম পৃথিবীর যেকোনো দামী ফোনের চেয়েও অনেক বেশি।

৬. বান্ধবী বা মেয়ে বন্ধুর সাথে রেস্টুরেন্ট বা পার্কে যাচ্ছেন। হঠাৎ দেখবেন আপনার চারপাশে একদল ছেলের আবির্ভাব। এরা কিন্তু একটা গ্যাং।
দেখবেন আপনাদের নিয়ে নানান রকম আজে বাজে কথা বলছে, বাজে ইঙ্গিত দিচ্ছে। আসলে ওরা চাইছেই আপনাকে উত্তেজিত করে একটা
ঝামেলায় বাধাতে।
এতে ওদের লাভ, সেটা
কিরকম ?
ধরাযাক আপনি মাথা গরম করে ঝামেলায় জড়ালেন। ওরা আপনাকে অপমান করেছে বলে আপনি পাল্টা কিছু বললেন বা করলেন। এই পেয়ে
গেলো সুযোগ। ওরা তখন বাইরে থেকে নেতা গোছের কাউকে ধরে আনবে। যিনি এসেই আপনাকে আপনার বান্ধবীর সামনেই নানান
রকমভাবে জেরা করবে। তারপর বিচারে আপনাকেই দোষী বানিয়ে দেবে।
অত:পর মিটমাট করার নাম করে আপনার কাছ থেকে জরিমানা
বাবদ টাকা পয়সা কিংবা দামী ঘড়ি, ফোন অথবা ল্যাপটপটা রেখে দেবে। তাই এসব জায়গায় কথা বাড়ানো
মানেই ঝামেলা ডেকে আনা। আর নির্জন জায়গা হলে এদের দেখা মাত্রই সরে পড়ুন।

৭. ভোররাতে ঢাকা এসে পৌঁছেছেন। সাহস দেখিয়ে রাস্তায় নেমে পড়তে যাবেন না। বাসস্টপে বা ট্রেন স্টেশনেই অপেক্ষা করুন। সকালে যখন রাস্তায় যথেস্ট মানুষ থাকবে তখন বের হন।

৮. ট্রেন স্টেশনে বা সদরঘাটে নিজে নিজে বয়ে নিয়ে যেতে পারেন না এমন বোঝা নিয়ে এসেছেন তো মরেছেন। মাথায় করে পৌঁছেব দেয়ার নামে আপনার কাছ থেকে চাদার মতো
৪০০-৫০০ টাকা খসিয়ে ছাড়বে কুলিরা। তাই সাবধানে থাকুন,
দরদাম করে তারপর কুলি ঠিক করুন।

৯. নিউমার্কেট বা নীলক্ষেতের মত জায়গায় কেনা কাটা করতে গেলে খুবই সাবধান। কৌতুহলের
বশে কোনো কিছুর দাম জিজ্ঞেস করলেও
এখানে আপনাকে পাল্টা দাম বলার জন্য জোরাজুরি করবে। মনে রাখবেন এখানে মেজাজ দেখিয়ে লাভ নাই, এখানকার দোকানীরা সংঘবদ্ধ হয়ে কাজ করে।

১০. বাসে উঠলে প্যান্টের পিছনের পকেটে মোবাইল, মানিব্যাগ এসব কিছু রাখা নিরাপদ না।
দেখবেন ভিড়ের মাঝে বাসে ওঠতেছেন যে য়কেউ টান মেরে নিয়ে যেতে পারে টের ও পাবেন না। তাই সামনের পকেটে এসব জিনিস রাখুন।

১১. বাণিজ্যমেলা, চিড়িয়াখানা, চন্দ্রিমা উদ্যান কিংবা শিশুপার্কে গিয়ে দাম খুব ভালো করে না জেনে কিচ্ছু খাবেন না। দেখা যাবে একটা সিংগাড়া কিংবা আধা প্লেট বিরিয়ানি খাইয়ে ৪০০-৫০০টাকার বিল ধরিয়ে
দেবে আপনাকে।

১২. রাতে ঘোরাঘুরি না করাই ভালো। ছিনত্যাইকারী ধরলেতো কথাই নেই। এমনকি ‌( কিছু বিপদগামী)পুলিশ ( সক‌লেই নয় )ধরলেও বিপদ। যতই নির্দোষ হন, পুলিশ যদি বুঝতে না চায়
আর আপনাকে আটকে রাখার নিয়ত যদি থাকে, তাহলে আপনার কিছুই করার থাকবে না।

১৩. বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছেন, হঠাৎ একটা মাইক্রোবাস এসে থামলো আপনার সামনে। সেটা প্রাইভেট গাড়িও হতে পারে। আপনাকে চালক
বলবে সে গ্যারেজে ফেরার পথে বাড়তি কিছু ‘ট্রিপ’ নিচ্ছে। খুব অল্প ভাড়ায় আপনাকে পৌছে দেবার কথা বলবে। আপনি উঠবেন না। মেয়ে
হলেতো আরো আগে না।

১৪. রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছেন। হঠাৎ ভদ্রবেশি কেউ এসে, সে হতে পারে ছেলে বা মেয়ে বা বয়ষ্ক পুরুষ কিংবা মহিলা, আপনার ফোন চাইলো।
বললো, উনার কোন একটা সমস্যার কথা, এক্ষুনি একটা ফোন দিতে হবে কাউকে। আপনি বিশ্বাস করে ফোনটা দিলেন, দেখবেন পরক্ষণেই হুট
করে বাইকে উঠে হাওয়া।

১৫. সাথে সবসময় আইডি কার্ড রাখুন। বিপদে পড়লে খুব কাজে দেয়। হয়তো কোনো দূর্ঘটনা ঘটেছে, অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন, তখন যারা
উদ্ধার কাজে আসবে তারা আপনার পরিবার পরিজনকে জানাতে পারবে।

১৬. নতুন বিবাহিত হলে এবং স্ত্রীকে সাথে নিয়ে ঘুরতে এলে কাবিননামার ছবি মোবাইলে তুলে রাখুন। কখন কোন কাজে লেগে যাবে বুঝতেও
পারবেন না।
সবচেয়ে বড় কথা, সবসময় সতর্ক
থাকুন, চোখ কান খোলা রাখুন।
মনে রাখবেন,,,,
আপনার নিরাপত্তা আপনারই হাতে।
এই বিষয়ে আপনারা সতর্ক থাকবেন।

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান