রক্তের বন্ধন যুব সংগঠন তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচতে পারে একটি প্রান
Home শিল্প সাহিত্য

শিল্প সাহিত্য

দিপক দের লেখা কবিতা প্রতীক্ষা

0

ওহে নীলাম্বরী,
সম্বোধেনু তোমারে !
শিহরন জাগিয়েছ হিয়ার বীণা তারে;
ঐ দিবসের পশ্চাতে- হয়েছি নীরহারা বিহঙ্গ,
আছি প্রতীক্ষারত, উঠেছে হিয়ায় তরঙ্গ।
কখন বাজিবে তান ঐ আলতা রাঙা হস্তে?
কখন বসিবে পতঙ্গ পাপিয়া পুষ্পে?
যখনই কিছু দিবসের পশ্চাতে
দাও না সাড়া সামাজিক যোগাযোগে,
প্রত্যাশী পথিক হয়ে থাকি উৎসুক,
যেন বৃন্দাবনের পাখি- “সুখ”।
যখনই “কেমন আছো” বলে কর বিচরন
হিয়ার মাঝে জাগে অজানা শিহরন।।
যেন বৃন্দাবনে পড়েছে রাধা- চরন।

হেনকালে অষ্টমীতে কুমারী অর্চন
সিংহদ্বারে হলো তব’র প্রথম দর্শন।
হলুদ বসনে সোনালী কুন্তলে নীলাম্বরী জ্বলে-
অঞ্জন টানা হিরক জ্যোতি হিয়ার মাঝে রংধনু খেলে।
বাঁধিলে যখন আমার হস্তে তোমর আপন হস্ত,
শিহরন জাগালে নিয়ে বিল্ব পুষ্প।
উদয় হলো কল্পনার;
যদি হই রাজকুমার!
উন্মোচন করিব আপন হৃদ দ্বার,
রাজপ্রাসাদ হবে পুষ্পের সমাহার
গালিচা করিব সমস্ত রাজকীয় বস্ত্র,
করিতে বরণ তব ছুড়ে আপন অস্ত্র।
আমার সকল স্বপ্ন তব চরনে করিলাম অর্পিত,
মনের মণিকোঠায় তুমি মোর একটাই অর্জিত।

যদি চলে যেতে চাও,
তবে উত্তর দাও
পশ্চাতে একবার চেয়ে।
একটিবার ভেবে নাও,
বিবেকেরে নাড়া দাও,
দেখো, কী যাচ্ছ মাড়িয়ে?

হয়ে বৃন্দাবনের সুখ;
রহিব চাহিয়া পন্থের সম্মুখ,
বাজিও এ তান, দিও না ফিরায়ে,
রহিয়াছি প্রতীক্ষার বীণা লয়ে তব দুয়ারে।
ওগো মোর নীলাম্বরী,
কিছু না বলে দিও না মথুরা পাড়ি।

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

মাগো ওরা বলে – আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ

0

মাগো ওরা বলে 

আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
‘কুমড়ো ফুলে ফুলে
নুয়ে পড়েছে লতাটা,
সজনে ডাঁটায়
ভরে গেছে গাছটা,
আর, আমি ডালের বড়ি
শুকিয়ে রেখেছি—
খোকা তুই কবে আসবি!
কবে ছুটি?’
চিঠিটা তার পকেটে ছিল,
ছেঁড়া আর রক্তে ভেজা।
‘মাগো, ওরা বলে,
সবার কথা কেড়ে নেবে
তোমার কোলে শুয়ে
গল্প শুনতে দেবে না।
বলো, মা, তাই কি হয়?
তাইতো আমার দেরী হচ্ছে।
তোমার জন্য কথার ঝুড়ি নিয়ে
তবেই না বাড়ী ফিরবো।
লক্ষ্মী মা রাগ ক’রো না,
মাত্রতো আর কটা দিন।’
‘পাগল ছেলে’ ,
মা পড়ে আর হাসে,
‘তোর ওপরে রাগ করতে পারি!’
নারকেলের চিঁড়ে কোটে,
উড়কি ধানের মুড়কি ভাজে
এটা সেটা আরো কত কি!
তার খোকা যে বাড়ী ফিরবে!
ক্লান্ত খোকা!
কুমড়ো ফুল
শুকিয়ে গেছে,
ঝ’রে প’ড়েছে ডাঁটা;
পুঁইলতাটা নেতানো,—
‘খোকা এলি?’
ঝাপসা চোখে মা তাকায়
উঠোনে, উঠোনে
যেখানে খোকার শব
শকুনিরা ব্যবচ্ছেদ করে।
এখন,
মা’র চোখে চৈত্রের রোদ
পুড়িয়ে দেয় শকুনিদের।
তারপর,
দাওয়ায় ব’সে
মা আবার ধান ভানে,
বিন্নি ধানের খই ভাজে,
খোকা তার
কখন আসে! কখন আসে!
এখন,
মা’র চোখে শিশির ভোর,
স্নেহের রোদে
ভিটে ভরেছে।

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

খুব করে চাইতাম- নাছরিন আক্তার

0

খুব করে চাইতাম

লেখকঃনাছরিন আক্তর

খুব করে চাইতাম
কেউ একজন ভালোবাসুক,
ভালোবাসুক তার পুরো অস্তিত্ব দিয়ে,
ভালোবাসুক তার সবটুকু ভালোবাসা দিয়ে,
ভালোবাসুক কোনো পিছুটান ছাড়াই,
বিমোহিত করুক তার ভালোবাসা দিয়ে।

সে ভালোবাসুক আমার মতো করে,
তার ভাবনা গুলো থাকুক আমাকে নিয়ে।
তার অপেক্ষা গুলো থাকুক আমাকে ঘিরে,
তার চঞ্চলতা বাড়ুক আমার আগমনে,
তার নীরবতা আসুক আমি বিহনে,
জড়িয়ে রাখুক তার ভালোবাসার চাদরে
আর সিক্ত করুক ভালোবাসার আদরে।

সে ভালোবাসুক খুব সাধারন ভাবে,
সকালের ধোঁয়া উড়া গরম চায়ের মতো করে,
ক্ষুধার্ত দুপুরে ডাল ভাতের মতো করে,
অথবা প্রিয় সেই কোন্ আইসক্রিমের
লাষ্ট বাইটের মতো করে,
তৃষিত মুহূর্তে ঠান্ডা ডাবের মতো করে,
কিংবা তীব্র জরে প্যারাসিটামলের মতো করে।

সে ভালোবাসুক নিত্যনতুন করে,
শীতের সকালে পশমী কাপড়ের মতো করে,
গ্রীষ্মের দুপুরে এসির হাওয়ার মতো করে,
বর্ষার বৃষ্টিতে ছাতার মতো করে।
কিংবা বিদ্যুৎ বিহীন ঝড়ের রাত্রি তে
মোমবাতির মতো করে।

সে ভালোবাসুক তার প্রয়োজনে,
যাপিত জীবনের সকল আয়োজনে,
ছোট্ট শিশুর প্রিয় খেলনা টির মতো করে,
দুরন্ত বালকের লাটাইয়ের ঘুড়ির মতো করে,
কিশোরী বালিকার শান্ত স্বভাবের মতো করে,
কিংবা কর্পোরেট ওয়ালার নেক টাই এর মতো করে।

শুনেছি ভালোবাসা হীনতায় মানুষ মরে,
কিন্তু না, আমি বলি –
ভুল ভালোবাসায় মানুষ বেচেঁ থেকেও মরে।
তাই ভুল ভালোবাসার ক্ষেত্রে
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ ও করা যেতে পারে,
এটা কি ভুল বললাম?

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

মোঃজাকারিয়া এর লেখা কবিতা “””” স্বেচ্ছাসেবক””””

1

নিস্তব্ধ রাত কেটে গেলো
শুরুর ঐ স্তব্ধ সকালে
পাখিদের মধুর গানে
শিশু কাঁধে মায়ের কোলে

সূর্য উঠায় ঘাসের উপর
শিশির ভেজা গানে
হঠাৎ জরুরি তলফ এলো
স্বেচ্ছাসেবকের কানে

ব্যাচেলার ছেলেদের
ভাঙে ঘুম বারোতে
সে সময়ে স্বেচ্ছাসেবক
ছুটছে রোগীর সেবাতে

সকালের খাওয়া তাদের
শুকনো কলা রুটি
অর্থ বাচিয়ে সবে
রোগীর পিছনে ছুটি

ঘুমকে ফাঁকি দিয়ে
ও বেলা না খেয়ে
হে স্বেচ্ছাসেবক,
কেনো কষ্ট যাচ্ছো চালায়ে?

বিকালবেলা খেলার মাঠে
চল Farhad ভাই মাঠে যাই
সেবক বলে হাসপাতালে
ডাকছে মোদের ভাই

রাত্রিবেলা পড়ার সময়
খবর এলো তায়
অসময়ে রোগীর সেবায়
তাইতো ছুটে যায়

আড্ডাবাজি না দিয়ে
খেলার মাঠে না গিয়ে
হে স্বেচ্ছাসেবক,
কেনো সেবা করছো গিয়ে?

সকাল রাত সব সময়ে
ব্যাস্ততায়ে তুমি
সূর্য ওঠায় পাখির ডাকে
যেগে ওঠো তুমি

খবর এলো হাসপাতালে
ডাকছে রোগীর লোক
ডাক পড়েছে ছুটে চলো
তুমি স্বেচ্ছাসেবক

রক্তের বন্ধন,
স্বেচ্ছাসেবক তোমায় করিছে উজ্জ্বল
এনে দিয়েছে সম্মান
রোগীর সেবাতে দিনরাত ছোটো
হয়েও কতো অপমান

রক্তের বন্ধন,
সেই অপমানের প্রতিশোধ নিতে
ঐক্য স্বেচ্ছাসেবকদল
প্রতিশোধ নয় ভালোবাসা দিয়ে
বাড়িয়েছো সবার বল

রক্তের বন্ধন,
স্বেচ্ছাসেবকেরে তুমি কি দিয়েছো সকলেরে তাহা বলো
ভালোবেসে তাদের মনুষ্যত্ব জাগিয়েছো
কাপুরুষেরা আখি খোলো

রক্তের বন্ধন,
সম্মান তোমার স্বেচ্ছাসেবকের দল
তোমার হাসিতে তারাও হাসে
সেটাই তাদের বল

তোমাদের আশায় রোগী দিনগোনে
পড়েনা কবু পলক
হে স্বেচ্ছাসেবক, হে স্বেচ্ছাসেবক
হে স্বেচ্ছাসেবক

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

নাছরীন আকতারের কবিতা কার কি হয়, কেউ জানে না

0

সব মেয়ে সকাল বেলা দামি কফি বা মগ এর ছোয়া
পায় না।
কিছু মেয়ে ছোয়া পায়,
কালি মাখা কড়াই
কিংবা হাড়ির।

সব মেয়ে স্বামীর বুকে মাথা গুঁজে থাকতে পারে না।
কিছু মেয়ের জীবনটা কাটে অন্ধকার রুমে চার
দেওয়ালের মধ্যে নিঃশব্দে।

সব ছেলে কাটা-ছেড়া প্যান্ট পড়ে, দামি সানগ্লাস
চোখে দিয়ে,
বাইকে চড়ে ধুলো উড়িয়ে চলতে পারে না।
কেউ কেউ সেই উড়িয়ে দেওয়া ধুলোর মধ্যে পায়ে হেঁটে
পাড়ি দেয় পুরো পৃথিবী।

যেখানে কেউ কেউ স্বপ্ন দেখে বড় অট্টালিকার ভেতরে
এসিওয়ালা রুমের, সেখানে কারো জীবন কাটে রাস্তার
পাশে কুকুরের সাথে শুয়ে।

কারো সকালবেলা ঘুম ভাঙে সোনালী রোদের সোনালী
আলোয় পাখির গানে।
কারো বা “এই শু___ বাচ্চা ওঠ”
এই চিৎকারে, কিংবা শেষ রাতের ভেঙে যাওয়া দুঃস্বপ্ন
দেখে।

কেউ কেউ মনের একটু আঘাতেই মরতে চায়,
আবার
কেউবা আই সি ইউ এর বেডে শুয়ে স্বপ্ন দেখে আরোও
কয়েকটা বছর বাঁচার।

সবাই আলাদা, সবার বেঁচে থাকার ধরণটাও আলাদা।
কেউ মরতে চেয়েও বেঁচে যায়,
কেউবা বাঁচতে চেয়েও
মরণের ছোয়া পায়।

কারো জায়গা হয় বড় অট্টালিকাতে, কারো বা বড় বড়
রাস্তার কোনায়। কারো স্বপ্ন পূরণ হয়,
আর কারো কারো আজীবন অপূর্ণই রয়ে যায়।

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

মোঃজাকারিয়া এর লেখা কবিতা “”” ব্যাঙ ও ফড়িং”””

0

আজ বেলা অবেলা সকালবেলা
শিশির ভেজা ঘাসে
ব্যাঙের সাথে খেলা করে
ঘাসফড়িংটা হাসে

হাসি হাসি রাশি রাশি
ব্যাঙের হলো সর্দি কাশি
গান গেয়ে নাচি নাচি
ব্যাঙের সর্দিতে ফড়িং খুশি

সকাল বেলা শিশির কনায়
ভিজে গেলো ব্যাঙ
ঘাসফড়িং টা ব্যাঙের দিকে
তুলে দিলো ঠ্যাং

সর্দি কাশির কুনোব্যাঙ
ডাকছে আবার ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ
ঘাসফড়িং টা হেসে বলে
ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ কুনোব্যাঙ

ব্যাঙের এই দুঃখের মাঝে
ফড়িং ফেলছে মাটি
ধরতে পারলে ফড়িং কে সে
তুলে মারবে ঝাঁটি

ঝাঁটির কথা ভাবতে ভাবতে
শুকালো ব্যাঙের ছাতা
রোধের আলোয় শুকিয়ে গেলো
কুনো ব্যাঙের মাথা

ব্যাঙ শুকালো সুস্থ হলো
ফড়িং পেলো ভয়
ব্যাঙের এখন ক্ষুদা পেলে
তাহার জীবন ক্ষয়

হঠাৎ ব্যাঙের পড়লো মনে
ঘাসফড়িং এর কথা
দুঃখের সময় ব্যাঙকে যে
দিয়েছিলো ব্যাথা

হাসো হাসো নাচো নাচো
কোথায় যাবে তুমি?
ফড়িং আজকে রক্ষা পাবেনা
ধরেই ফেলবো আমি

শুকিয়ে গেলো ঘাস আর
শুকিয়ে গেলো ব্যাঙ
ধরতে পারলে ফড়িং কে আজ
তুলে নেবে ঠ্যাং এর লেখা কবিতা “”” ব্যাঙ ও ফড়িং “”””

আজ বেলা অবেলা সকালবেলা
শিশির ভেজা ঘাসে
ব্যাঙের সাথে খেলা করে
ঘাসফড়িংটা হাসে

হাসি হাসি রাশি রাশি
ব্যাঙের হলো সর্দি কাশি
গান গেয়ে নাচি নাচি
ব্যাঙের সর্দিতে ফড়িং খুশি

সকাল বেলা শিশির কনায়
ভিজে গেলো ব্যাঙ
ঘাসফড়িং টা ব্যাঙের দিকে
তুলে দিলো ঠ্যাং

সর্দি কাশির কুনোব্যাঙ
ডাকছে আবার ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ
ঘাসফড়িং টা হেসে বলে
ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ কুনোব্যাঙ

ব্যাঙের এই দুঃখের মাঝে
ফড়িং ফেলছে মাটি
ধরতে পারলে ফড়িং কে সে
তুলে মারবে ঝাঁটি

ঝাঁটির কথা ভাবতে ভাবতে
শুকালো ব্যাঙের ছাতা
রোধের আলোয় শুকিয়ে গেলো
কুনো ব্যাঙের মাথা

ব্যাঙ শুকালো সুস্থ হলো
ফড়িং পেলো ভয়
ব্যাঙের এখন ক্ষুদা পেলে
তাহার জীবন ক্ষয়

হঠাৎ ব্যাঙের পড়লো মনে
ঘাসফড়িং এর কথা
দুঃখের সময় ব্যাঙকে যে
দিয়েছিলো ব্যাথা

হাসো হাসো নাচো নাচো
কোথায় যাবে তুমি?
ফড়িং আজকে রক্ষা পাবেনা
ধরেই ফেলবো আমি

শুকিয়ে গেলো ঘাস আর
শুকিয়ে গেলো ব্যাঙ
ধরতে পারলে ফড়িং কে আজ
তুলে নেবে ঠ্যাং

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

মোঃজাকারিয়া এর লেখা কবিতা “””” একটা চিঠি চাই””””””

0

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

নাছরীন আকতার এর লেখা কবিতা ভালোবাসা হোক সবার সাথে

0

এক কাপ চায়েও ভালোবাসা হয়,
৫ টাকার বাদামেও ভালোবাসা হয়।
পথে বসে আছে কেউ টাকার জন্য হাত বাড়ায়।
আবার ১৫ টাকার বেলীফুল দামাদামি করে ১০ টাকায় কিনেও ভালোবাসা হয়।
পায়ে হেঁটে ভালোবাসা হয়,আবার এই রিক্সা যাবেন বলেও ভালোবাসা হয়।

প্লেনে করে ভালোবাসা হয়,
বাইকে করেও ভালোবাসা হয়।
গ্লোরিয়া জিন্সে কফি খেতে খেতেও ভালোবাসা হয়।
হাজার টাকার ফুলের তোড়ায়ও ভালোবাসা হয়।
দামী দামী রিসোর্টে গিয়েও ভালোবাসা হয়।

টাকা যেমনই লাগুক বা নাইবা লাগুক
তবুও ভালোবাসা হোক।
সবাই ভালোবাসুক।
এই পৃথিবী একাকিত্বের নয়।
একাকিত্ব কারো পছন্দ নয়।
সবাই ভালোবাসুক।
ভালোবাসায় ভরে যাক পৃথিবী,
মৃত্যুর পর আরেকটা কাল থাকলে সে কালেও ভালোবাসা হোক।

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

মোঃজাকারিয়া এর লেখা কবিতা “”” ভাবনা””””

0

কবি নয় সে,তবুও যেনো
কবিদের মতো ভাবছে
সে যেনো মেঘের সাথে কথা বলে
কল্পনায় ছবি আঁকছে
সে যেনো পাখিদের ডানায়
ভর করে চলছে
সে যেনো পাখিদের মতো উড়ছে

কবি নয় সে,তবুও যেনো
কবিদের মতো ভাবছে
একটুকরো নীলকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে
সে যেনো কল্পনায় মেঘের বাড়ি যাচ্ছে
নদীর কলকল শব্দে যেনো
সে কবিতা লিখতে বসছে

কবি নয় সে তবুও যেনো
কবিদের মতো ভাবছে
সে যেনো চাঁদের আলোয়
রুপকথার কথা ভাবছে
রুপকথার রাজকন্যা তাহাকে যেনো ডাকছে
সে যেনো শিশুদের হাসি হাসছে
সে যেনো শৈশবে চলে যাচ্ছে

কবি নয় সে তবুও যেনো
কবিদের মতো ভাবছে
সে যেনে বিলের মাঝে
শাপলা হয়ে ভাসছে
সে যেনো আল্পনা আকা
রাজপথের কথা ভাবছে
কবি নয় সে তবুও যেনো
কবিদের মতো ভাবছে

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

লুকোচুরি

0


লুকোচুরি

আজ তুমি তাকিয়ে ছিলে বাঁকা চোখে,
অনন্ত গভীর ছুঁয়েছে আমার মন তোমার চাহনিতে।।

উৎফুল্ল হৃদয়ে বলে দিতাম যদি,
এই মেয়ে তুমি কি আমায় ভালোবাসো?
এমন করে তাকিয়ে আছো কেন?
আমাকে কিছু কি বলবে?

না বাবু কিছু বলার নেই আমি কোন প্রশ্ন করবো না!!

আজ 16 তারিখ যখন শহরে গেলাম,
তোমার হাসিমাখা মুখটা দেখতে পেলাম।

যখন তোমার পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম তখন তুমি হাঁ করে কি দেখছিলে ?
একটু বলো না?

তুমি বলবে কিভাবে আমিতো তোমাকে রাত তোমাকে প্রশ্নই করিনি।

আচ্ছা ভালো থেকো আমারে কাব্যখানি আমার কাছেই থাকুক।।

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান