রক্তের বন্ধন যুব সংগঠন তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচতে পারে একটি প্রান

রক্তদান

মোঃজাকারিয়া এর লেখা কবিতা “””” স্বেচ্ছাসেবক””””

1

নিস্তব্ধ রাত কেটে গেলো
শুরুর ঐ স্তব্ধ সকালে
পাখিদের মধুর গানে
শিশু কাঁধে মায়ের কোলে

সূর্য উঠায় ঘাসের উপর
শিশির ভেজা গানে
হঠাৎ জরুরি তলফ এলো
স্বেচ্ছাসেবকের কানে

ব্যাচেলার ছেলেদের
ভাঙে ঘুম বারোতে
সে সময়ে স্বেচ্ছাসেবক
ছুটছে রোগীর সেবাতে

সকালের খাওয়া তাদের
শুকনো কলা রুটি
অর্থ বাচিয়ে সবে
রোগীর পিছনে ছুটি

ঘুমকে ফাঁকি দিয়ে
ও বেলা না খেয়ে
হে স্বেচ্ছাসেবক,
কেনো কষ্ট যাচ্ছো চালায়ে?

বিকালবেলা খেলার মাঠে
চল Farhad ভাই মাঠে যাই
সেবক বলে হাসপাতালে
ডাকছে মোদের ভাই

রাত্রিবেলা পড়ার সময়
খবর এলো তায়
অসময়ে রোগীর সেবায়
তাইতো ছুটে যায়

আড্ডাবাজি না দিয়ে
খেলার মাঠে না গিয়ে
হে স্বেচ্ছাসেবক,
কেনো সেবা করছো গিয়ে?

সকাল রাত সব সময়ে
ব্যাস্ততায়ে তুমি
সূর্য ওঠায় পাখির ডাকে
যেগে ওঠো তুমি

খবর এলো হাসপাতালে
ডাকছে রোগীর লোক
ডাক পড়েছে ছুটে চলো
তুমি স্বেচ্ছাসেবক

রক্তের বন্ধন,
স্বেচ্ছাসেবক তোমায় করিছে উজ্জ্বল
এনে দিয়েছে সম্মান
রোগীর সেবাতে দিনরাত ছোটো
হয়েও কতো অপমান

রক্তের বন্ধন,
সেই অপমানের প্রতিশোধ নিতে
ঐক্য স্বেচ্ছাসেবকদল
প্রতিশোধ নয় ভালোবাসা দিয়ে
বাড়িয়েছো সবার বল

রক্তের বন্ধন,
স্বেচ্ছাসেবকেরে তুমি কি দিয়েছো সকলেরে তাহা বলো
ভালোবেসে তাদের মনুষ্যত্ব জাগিয়েছো
কাপুরুষেরা আখি খোলো

রক্তের বন্ধন,
সম্মান তোমার স্বেচ্ছাসেবকের দল
তোমার হাসিতে তারাও হাসে
সেটাই তাদের বল

তোমাদের আশায় রোগী দিনগোনে
পড়েনা কবু পলক
হে স্বেচ্ছাসেবক, হে স্বেচ্ছাসেবক
হে স্বেচ্ছাসেবক

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

মোঃজাকারিয়া এর লেখা কবিতা”””রক্তের বন্ধন””””

0

রক্তের বন্ধন,যেখানে থাকেনা কোনো ভেদাভেদ কোনোই ক্রন্দন।

রক্তের বন্ধন,যেখানে হয়েছে কিশোর,বৃদ্ধা যুবকেরা আপন

রক্তের বন্ধন,
সম্মান তোমার গান
যেখানে লিখেছো তুমি
বলিতেছি আবারও আমি-
“” তুচ্ছ নয় রক্তদান,বাঁচাতে পারে একটি প্রান””

রক্তের বন্ধন,
তোমাকে করিনি চুরি
চোর যদি হই তবে
কাটিও আমার ভুরি

রক্তের বন্ধন,
তোমারই কথা সাজাবো যে আজ
পাল্টাতে পারে একটু লেখার সাজ

ভুল যদি হয় ক্ষমা চাই আমি
ক্ষমা করিও আমায়
কতো কথা যে পাল্টে ফেলে
করিতেছে চুরি চোরায়

রক্তের বন্ধন,
ভেদাভেদ নেই যেথা
বলেছিলে তুমি সেথা-
“” প্রস্তুত থাকে যদি ২ জন রক্তদাতা,থাকবে গর্ববতী মায়ের প্রানের নিশ্চয়তা

রক্তের বন্ধন,
যেখানে রয়েছে স্বার্থবলিদান
সেখানে থাকেনা স্বর্থের টান
“”আমার রক্তে যদি বাঁচে কারো প্রান,তাহলে কেনো করবোনা সেচ্ছায় রক্তদান””

রক্তের বন্ধন,
যেখানে রহিছে সর্বত্র জয়
সেখানে থাকেনা কোনোই ভয়
কাটাতে পারো যদি সুঁইয়ের ভয়, তবেই হবে মানবতার আসল পরিচয়

রক্তের বন্ধন,
যেখানে ছুটছে তারা দিনরাত
সেখানে রয়েছে সদা সত্য জাত
“আর নয় মিথ্যে অজুহাত,জীবন বাঁচাতে রক্ত দিয়ে বাড়াই হাত”

রক্তের বন্ধন,
যেখানে হারাতে দেয়না কোনো প্রান
সেখানে খুজে পাবে সকল মান
“আপনার এক ব্যাগ রক্ত দান,বাঁচাতে পারে মুমূর্ষু রোগীর প্রান”

রক্তের বন্ধন,
বলিতেছি তোমারে
কতো কথা রয়ে গেছে অগোচরে
রহিছে বাক্য আরো
“” যদি আপনার বয়স হয় আঠারো, তবে আজই রক্ত দান শুরু করো”””

রক্তের বন্ধন,
তোমার প্রচারে তোমারই কথা
বলিতেছি আজিকে হায়
ক্ষমা চাই আবারও
ভুল যদি হয় আমার কবিতা লেখায়

রক্তের বন্ধন,
গাহি তোমারই গান
বাঁচুক সবার প্রান
তোমাতো নেইতো ভয়
সবকিছু করবেই জয়

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

সহযোগিতা পাওয়ার পর রক্তের বন্ধন এর প্রতি কৃতজ্ঞতায় কবিতা

0

*******রক্তের বন্ধন****
মোঃজাকারিয়া

কে তুমি ভাই ?
দেবতা নও তুমি নওতো ফেরেশতা ?
কে তুমি ভাই ?
হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান?
তুমি তো সেই মানুষ একজন
যাহাতে আছে অসাধারণে সাধারণ
বিপদেতে হায় খুজিগো তোমায়
গড়িয়াছো তুমি রক্তের বন্ধন
দিয়েছো তবে মোর ডাকে সাড়া
বিপদ কাটাতে হয়েছো দিশেহারা
বাঙালি তুমি মানুষ একজন
যেখানে থাকে না কোন ক্রন্দন
বাঙালি খুঁজেছে তোমায়
গড়িবে বাঙালি রক্তের বন্ধন
জাগো বাঙালি জাগো সবে আজ
সালাম প্রণাম করে তবে তাকে
গড়িয়াছে যে জন রক্তের বন্ধন
সোনালী সূর্য জেগে ওঠো আজ
দেখাও তোমার বহুরূপী সাজ
সবাইকে দাও সমান কিরণ
তুমি তো মানুষ তবে বহুরূপী নও
গড়িয়াছো কেমনে রক্তের বন্ধন
বিপদে তোমাকে করিয়াছে স্মরণ
বৃদ্ধ সেই মাতা
তোমাকে ডাকিতেছে নিষ্পাপ শিশুর
সেই জন্মদাতা
দুর্ঘটনার কবলে ক্ষতবিক্ষত
সেই একজন যুবক
রক্তের বন্ধন খুঁজিতে সে তোমায়
বিপদের সম্মুখে হয়ে যাও এক
চরম অসুখে কিশোর ছেলেটা
ডাকিতেছে তাহার মাতা
বিপদে তাহারে সাহায্য করো
মুছে দাও যত ব্যাথা
শত শত বাবা শত শত মা
শত শত ভাই বোন
কিশোর বৃদ্ধা ডাকিতেছে তোমায়
করিতেছে আহ্বায়ন
বিপদে তুমি যারে দিয়েছিলে ঠাই
রক্তের বন্ধন লিখতে বসেছি সেই ছেলেটাই
তুমি তো কোন রক্তপিপাসু নও?
নাতো তুমি রক্ত করো পান?
তবে কেন তুমি অন্যের বিপদে
রক্তের খোঁজে যাও?
রক্তের বন্ধনে বাধিয়াছো মোরে
বিপদে দিয়েছে প্রাণ
কঠিন বিপদে রক্ষা পেতে
সকলে তোমারে করিব স্মরণ
নেই তো কোথাও আত্মিয়ের ছাপ
তবুও তুমি যে আপন
তোমাতে রয়েছে সকল জ্ঞান
গড়িয়াছো তুমি রক্তের বন্ধন
https://www.facebook.com/groups/737955696567515

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

রক্তের বন্ধন যুব সংগঠনের পরিচালনায় বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ ও সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

0



আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তায়ালার অসিম কৃপায় খুবই সুন্দর ভাবে সম্পূর্ণ হলো দুর্গাপুর যুব সমাজের এর উদ্যোগে এবং রক্তের বন্ধন যুব সংগঠনের এর সহযোগিতায় বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, গর্ভবতি মায়ের যত্ন নিয়ে সচেতনতা সহ আরো সচেতনতামূলক কাজ এবং বিশেষ করে থ্যালেসেমিয়া সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি মূলক ক্যাম্পেইন । ১৭০+ শিক্ষার্থীদের রক্তের গ্রুপ নির্নয় করে রক্তের গ্রুপ জানিয়ে দিতে পেরেছি । শুভ কামনা ও অফুরন্ত ভালোবাসা ওই সকল ছোট্ট তরুণ-তরুণীদের যারা ১৮ বছর এবং ওজন ৫০ কেজি হলে রক্তদান করবে বলে ইচ্ছা প্রকাশ করে নিজেকে আত্ম মানবতার সেবায় নিয়োজিত রাখতে চায়। আরো ১৮ বছর পর্দপন করা অনেক ভাই এবং বোন রক্তের গ্রুপ টেস্ট করে সংগঠনের সদস্য হলেন এবং রক্তদানে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন

বিশেষ ধন্যবাদ সকল শিক্ষক ও দু্র্গাপুরের যুব সমাজকে যাদের সহযোগিতায় আজকের ক্যাম্পেইন সফল ভাবে সম্পূর্ণ করতে পেরেছি।

তারিখঃ ০৩-১০-১৯ইং (বৃহস্পতিবার)
স্থানঃ মাধ্যমিক বিদ্যালয় দুর্গাপুর
সময়ঃ সকাল ১০ টা – বিকেল ৩টা।

আপনার নিজের প্রতিষ্ঠান, সন্তান বা আত্মীয়ের প্রতিষ্ঠানে আয়োজন করে যদি আমাদের এই ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ করতে চান তবে যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সাথেঃ

মোবাইলঃ ০১৩১৭৫১৫১৬১
রক্তের বন্ধন যুব সংগঠন
https://www.facebook.com/groups/737955696567515/

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

রিমনের প্রথম রক্তদান-

0

রক্তদান ২৪-৯-২০১৯
মানবতার কল্যানে

রক্তের বন্ধন যুব সংগঠন 

রিমনের প্রথম রক্তদান
অসহায় রোগীর প্রাণের টানে,
এগিয়ে আসুন রক্তদানে -এই অঙ্গিকারে রিমন স্বেচ্ছায় রক্ত দান করলো এক প্রেগনেন্ট+ রক্তস্বল্পতা রুগীকে। আপনিও অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য স্বেচ্ছায় রক্তদান করতে পারেন মুমূর্ষু  মানুষ জনের পাশে সব সময়

রক্তের বন্ধন যুব সংগঠন, পিরোজপুর
০১৩১৭৫১৫১৬১
০১৬৩৪০০০৯০৩
https://www.facebook.com/groups/737955696567515/

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

রক্তদানের পর কি কি করণীয়

0


১. রক্তদেয়ার পর কমপক্ষে ৫-১০ মিনিট শুয়ে
থাকা। সাথে সাথে ওঠে গেলে মাথা ঘুরে
অজ্ঞান হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
২. বেড থেকে ওঠে বেশি বেশি ওরস্যালাইন
মিক্সড করা পানি পান করা, এতে রক্তের জলীয়
অংশের ঘাটতি পূরণ হবে।
৩. ব্লাড ব্যাংকে রক্তদান করলে ডোনার কার্ড
নেয়া। হাসপাতাল থেকে কোন প্রকার ডোনার
কার্ড দেয়া হয়না। তবে রাতের বেলায় রক্তদান
করলে তাদের থেকে একটি রিপোর্ট প্রিন্ট
করে নিবেন প্লিজ। এরফলে পুলিশ হয়রানি
থেকে রক্ষা পাবেন।
৪. স্কিনিং টেষ্ট এর রিপোর্টের কপি নেয়া। এই
রিপোর্টের কপি চেয়ে নিতে হবে।
৫. যে হাত থেকে রক্তদান করেছেন,
কমপক্ষে ২৪ ঘন্টা সে হাতে ভারী কোন কিছু
না নেয়া। এতে ব্লিডিং হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
৬. যেদিন রক্তদান করবেন, সেদিন রাতেMd
ঘুমানের সময় বিপরীত কাত হয়ে ঘুমানো। অর্থাৎ
ডান হাত থেকে রক্ত দিলে বাম কাত হয়ে
ঘুমানো, অথবা বাম হাত থেকে রক্ত দিলে ডান
কাত হয়ে ঘুমানো উচিত। এতে হাতে রক্ত-
সঞ্চালনে বাঁধা সৃষ্টি হবেনা।
৭. কমপক্ষে ২ দিন অতিরিক্ত বিশ্রাম নেয়া।
এরফলে দূর্বলতা কেটে যাবে।
৮. হাতে কোন প্রকার ম্যাসাজ/মালিশ না করা।
এরফলে ব্লিডিং হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
৯. অনেক সময় দেখা যায়- সুই ঢোকানোর
স্থানসহ আশে-আশে চামড়ার নিচের অংশ কালচে
রং হয়ে যায়, এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এক-দুই দিন
পর ঠিক হয়ে যাবে। কোন প্রকার মালিশ/ম্যাসাজ
করবেননা প্লিজ।
১০. রক্তদানের কার্যক্রম বেশি বেশি প্রচার করা,
এতে অন্যরা উৎসাহিত হবে।
১১. Whole Blood দিলে কমপক্ষে ৩-৪ মাস পর
পুনরায় রক্তদান করা। অনেকেই আবেগের তারনায়
২ মাস পরও রক্ত দিয়ে দেয়। এরফলে নিজেরও
ক্ষতি হবে এবং রোগীরও উপকার হবেনা। কারন-
আপনার শরিরের পর্যাপ্ত পরিমানে
হিমোগ্লোবিনের সৃষ্টি হয়নি। এভাবে নিয়ম
মেনে রক্তদান না করলে আপনারই রক্ত-স্বল্পতা
দেখা দিতে পারে এবং বেক-পেইন হওয়ার
সম্ভাবনা থাকে।
১২. যেদিন রক্তদান করেছেন, সেই দিনের
তারিখটি নোট করে রাখুন। এরফলে পরবর্তি
রক্তদানের তারিখ কবে হবে তা বের করে
নিতে পারবেন।
রক্তদানে কোন প্রকার ক্ষতি নেই। তবে নিয়ম
মেনে রক্তদান না করলে ক্ষতি আছে। তাই
সবাইকে অনুরোধ করবো- নিয়মগুলো মেনে
চলুন।

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

রক্ত গ্রহীতাদের উদ্দেশ্য ম.শহিদুল্লাহর অনুরোধ

0

আপনাদের একটা গোপন কথা বলে দেই, স্বেচ্ছাসেবকরাও কিন্তু ভাত খায়, টয়লেটে যায়, গোসল করে, ঘুমায়, বউ বাচ্চা আছে, তাদের মধ্যে কেউ প্রেম-ট্রেমও করে। আপনি যখন-তখন ১/২ বার ফোন দিয়ে না পেলে প্লিজ বলে বেড়াবেন না যে তারা ‘ভাব’ নেয়!

আপনি জানেন কিনা জানিনা, তারাও কিন্তু মানুষ, তাদেরও আপনার মত ঘর-সংসার, বউ-বাচ্চা, প্রেমিক-প্রেমিকা আছে। তাদেরও আপনার মত বাজারে যেতে হয়, তাদেরও কিন্তু দরদাম করে মুশুরি ডাল কিনতে হয়, মাছ কিনতে হয়। সুতরাং নিজে নিজে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা না করে কন্টাক্ট লিস্ট থেকে নাম্বার বের করে ফোন দিয়েই ‘এখনই আসুন’, ‘জরুরী আসুন’ তাড়া দেওয়ার মানসিকতা ত্যাগ করুন।

একজন স্বেচ্ছাসেবককে ফোন দিয়ে কি কখনো জানতে চেয়েছেন সে ‘কেমন আছে?’ আপনার মায়ের পেটের ভাই-ই শুধু ভাই আর আমরা কি ‘মরহুম ভাই’?

___ম. শহিদুল্লাহ্

 

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

রক্তের বন্ধন যুব সংগঠন এর সভাপতির বিবৃতি

0

রক্তের বন্ধন যুব সংগঠন এর সভাপতির বিবৃতি

একটা সংগঠন খুব স্পিডে কাজ করার সময় কিছু দিন পর কাজ থেমে যায় আবার শ্লো হয়ে যায় কারন কি?
নবীদের জমানায় প্রাথমিক প্রর্যায় মানুষ থাকতো রাজা বাদশাদের গোলাম, কিন্তু পরবর্তীতে নবীরা একমাত্র আল্লাহর গোলাম বানানোর চেষ্টা করেন যে মানুষ কখনো মানুষের কাছে মাথা নত করবে না করবে আল্লাহর কাছে
যে যার আন্ডারে কাজ করুক না কেনো প্রতি টা ব্যাক্তির ভিতর এ চিন্তা আসা উচিত না যে আমার আন্ডারে সবাই গোলামের মত থাকবে কারন মানুষ আল্লাহর গোলাম।

আর আমরা স্বেচ্ছাসেবী কাজ করি আমরা সবাই খাদেম আল্লাহ তাআলার, আমাদের তৌফিক দিছেন তাই এ কাজ করি।

যে বা যারা নিজের কতৃত্ব প্রদান করতে গেছে তাদের কাজ থেমে গেছে।
মানুষের সাথে ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি করা হলে ভালোবেসে আসবে কাছে এবং কথা মানবে।

অনেক বড় বড় দল সংগঠন ধংস হয়ে যাবার কারন একমাত্র মানুষকে নিজের গোলাম মনে করা নিজের কর্মীদের গোলাম বানানো কিন্তু মানুষ গোলামি করবে একমাত্র আল্লাহর।
ধন্যবাদ
মোঃ ফরহাদ গাজী
সভাপতি
রক্তের বন্ধন যুব সংগঠন,পিরোজপুর

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

রক্তদানের উপকারিতা কি? আসুন জানি

0

রক্তদানের উপকারিতা
ডা. মনিরুজ্জামান

রক্তদানের উপকারিতা

স্বেচ্ছায় নিজের রক্ত অন্য কারো প্রয়োজনে দান করাই রক্তদান। তবে রক্তদাতাকে অবশ্যই পূর্ণবয়স্ক অর্থাৎ ১৮ বছর বয়স হতে হয়।

প্রতি তিন মাস অন্তর প্রত্যেক সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক নর-নারী নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে রক্তদান করতে পারেন। এতে স্বাস্থ্যে কোনো ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে না। তবে রক্তদানের পদ্ধতি ও পরবর্তী প্রভাব সম্পর্কে অজ্ঞতা ও অযথা ভীতির কারণে অনেকেই রক্ত দিতে দ্বিধান্বিত হন। কিন্তু রক্তদানেরও যে উপকারিতা রয়েছে, সে কথা আমরা কয়জনই বা জানি?

উপকারিতা

• রক্তদানে কোনো সমস্যা হয় না। কেননা একজন সুস্থ মানুষের শরীরে পাঁচ-ছয় লিটার রক্ত থাকে। এর মধ্যে সাধারণত ২৫০ থেকে ৪০০ মিলিলিটার রক্ত দান করা হয়, যা শরীরে থাকা মোট রক্তের মাত্র ১০ ভাগের এক ভাগ। রক্তের মূল উপাদান পানি, যা ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পূরণ হয়।

• রক্তদান স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। রক্তদানের সঙ্গে সঙ্গে শরীরের ‘বোনম্যারো’ নতুন কণিকা তৈরির জন্য উদ্দীপ্ত হয়।

দুই সপ্তাহের মধ্যে নতুন রক্তকণিকা জন্ম হয়, ঘাটতি পূরণ হয়।
• বছরে তিনবার রক্তদান শরীরে লোহিত কণিকাগুলোর প্রাণবন্ততা বাড়িয়ে তোলে ও নতুন কণিকা তৈরির হার বাড়ায়।

• নিয়মিত রক্তদানকারীর হার্ট ও লিভার ভালো থাকে।

• স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে পাঁচটি পরীক্ষা সম্পূর্ণ বিনা খরচে করা হয়। এর মাধ্যমে জানা যায় শরীরে অন্য বড় কোনো রোগ আছে কি না। যেমন—হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, ম্যালেরিয়া, সিফিলিস, এইচআইভি (এইডস) ইত্যাদি।

• রক্তদান অনেক ক্ষেত্রে ক্যান্সার প্রতিরোধেও সহায়তা করে।

• রক্তে কোলস্টেরলের উপস্থিতি কমাতে সাহায্য করে।

• শরীরে অতিরিক্ত আয়রনের উপস্থিতিকে বলে Hemochromatosis। নিয়মিত রক্তদান এই রোগ প্রতিরোধ করে।

• স্থূলদেহী মানুষের ওজন কমাতে রক্তদান সহায়ক।

• মুমূর্ষুকে রক্ত দিলে মানসিক তৃপ্তি মেলে।

রক্তদানের শর্তগুলো

• রক্তদাতাকে সুস্থ থাকতে হবে এবং

১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী ৪৫ কেজি ওজনের যেকোনো মানুষ রক্তদান করতে পারে।

• দাতার রক্তের স্ক্রিনিং টেস্ট বা রক্ত নিরাপদ কি না তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা।

• ভরপেটে খাওয়ার চার ঘণ্টা পর রক্ত দেওয়া শ্রেয়।

• কোনো রূপ এনার্জি ড্রিংক রক্তদানের আগে সেবন না করাই ভালো।

• যাঁদের ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে তাঁরা চিকিৎসকের পরামর্শে রক্তদান করতে পারেন।

যাঁদের রক্তদান নিষেধ

• ক্যান্সার, হিমোফিলিয়া, ম্যালেরিয়াসহ জীবাণুঘটিত কোনো রোগী।

• এইচআইভি বা এইডস আক্রান্তরা।

• মাদক সেবনকারী।

• হেপাটাইটিস-বি ও সি-র এন্টিজেন পজিটিভ যাঁদের। পরবর্তী সময় তা নেগেটিভ হলেও রক্ত দেওয়া যাবে না।

• গর্ভবতী মহিলারা।

• যাঁদের অতিরিক্ত শ্বাসকষ্ট হয়।

• যাঁরা বারবার ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হন।

• গত তিন মাসের মধ্যে রক্তদান করেছেন এমন মানুষ।

• যাঁদের শরীরের কোনো স্থানের গ্ল্যান্ড (লিম্ফনোড) ফুলে গেছে। বিশেষ করে ঘাড়, গলায়, হাতের নিচের গ্লান্ড।

লেখক : কো-অর্ডিনেটর, স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রম, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

রক্তদাতা সংগঠন সম্পর্কে একি ফেসবুক স্ট্যাটাস দিলেন নাজমুল!

0


কি, খারাপ লাগে?
সংগঠনে ফোন দিলাম এতোবার রক্ত পাইলাম না
সিজার রোগি ওটিতে রক্ত পাই কই

খারাপ লাগার কিছু নেই শান্ত হন
সংগঠনে ফোন দিয়েছেন রক্ত পান্নি এই নিয়ে সমলচনা করছেন কেন?

সংগঠন কি রক্ত উৎপাদনের কারখানা

ও হ্যা তাইতো

√√ আসুন তবে সংগঠন কেন জেনেই

এই সংগঠন গুলো আপনার কাছে কিছু চায়??
টাকা /ব্লাডের বদলে ব্লাড চেয়েছে???

ওরা কাজ করে কেন ?? ভেবেছেন?
ওরা কি আর পাঁচটা ছেলেদের মতো টংএর দোকানে আড্ডা দেয়? নাকি? হসপিটালে করিডোরে মানুষকে সহায্যের জন্য বসে থাকে

এরা কি খারাপ কিছু করে আপনি ব্লাড না পেয়েই খেপে যান সংগঠন খারাপ ভালোনা রক্ত পাইনা

একটু ভাবুনতো
ওরা তো ব্লাড উৎপাদন কিংবা ফ্রিজিং করেনা তার পরও আপনাকে না দিক অন্যদের তো দিয়েছে এই ব্লাড গুলো পেলো কই???

আরে ভাই এ ব্লাড গুলো ম্যানেজ করতে এক এক জন সদস্যর ২০ -১০০ টাকা ফোন খরচ যায় মানুষকে বুঝায় তারপর ব্লাড নিজর এবং অপর ভাইয়ের ব্লাড টা আপনাকে বা আমাদের দিচ্ছে

তার পরও এতো সমালোচনা করেন, বিবেগ দিয়ে একটু চিন্তা করুন

আমরা মানুষের গোলাম না, আল্লাহর গোলাম
অল্লাহর সন্তুস্টি জন্য কাজ করি,
মনুষের পাশে সধ্য মতো দাড়াবার চেষ্টা করি।

কথা গুলো খারাপ লাগলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন

বানী,
মোঃনাজমুল ইসলাম
যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক
রক্তের বন্ধন যুব সংগঠন,পিরোজপু।
ডাক ও তারঃ ০১৭৮৯১৭২১৮০

স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহ দিব
মানুষের পাশে দাড়াব

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান