রক্তের বন্ধন যুব সংগঠন তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচতে পারে একটি প্রান

অন্যান্য

শুভ জন্মদিন মানবতার সেবক টুটুল

0

স্টাফ রিপোর্টার : ফরহাদ গাজী
আজ ৬ ই নভেম্বর  আজকের এই দিনে পৃথিবীর বুকে আগমন করেছিল রক্তের বন্ধন যুব সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং সহ সভাপতি মোঃ টুটুল মোল্লা।তিনি সব সময় ই মানবতার সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত থাকে তাই তার সম্পর্কে কিছু কথা বলছি তাকে আমি যতই দেখেছি ততই মুগ্ধ হয়েছি। সব সময় দেখেছি নিজের কষ্ট গুলোকে বুকের মাঝে চেপে রেখে অন্যের মুখে হাসি ফোটাতে। কখনো কখনো সকালের নাস্তা না করেই ছুটে যেত হাসপাতালের অসুস্থ রোগিদের কাছে তাদের খোজ খবর নিতে এবং যথাসাধ্য সাহায্য করতে।তিনি খুব ই সাদাসিধা একজন ব্যক্তি যাকে কখনো কোন রকম অহংকার ছুতে পারেনা।সে একটা মধ্যবিত্ত পরিবারের বড় ছেলে তাই তার দায়ীত্ব অনেক বেশী। সব দায়ীত্ব গুলা সুন্দর ভাবে পালন করতে গিয়ে নিজেকে উজাড় করে দিচ্ছে।তবুও সে সব সময় হাসি মুখেই সবার সাথে কথা বলে সবার সুখে দুখে পাশে থাকার চেষ্টা করে।অনেক সময় দেখেছি নিজের বুকের ভিতর কাউকে হারানোর ব্যাথায় একা একা নীরবে কাদতে জিজ্ঞেস করলে একটু মুচকি হেসে বলতো ও কিছু না ভাই।তবে এইটা বুঝতে পেরেছি যাকে হারানোর জন্য একা একা কাদতো সে এই মানুষ টাকে হারিয়ে তার জীবনের সব চেয়ে বড় ভুল করেছে।কারন এই রকম একটা মানুষকে পেয়ে হারানো সত্যিই বড় দুর্ভাগ্যজনক। যাই হোক এই ব্যক্তিগত কথা গুলো বলা উচিৎ নয় তবুও এই কারনে লিখলাম যে টুটুল আপনি কখনো ভেংগে পড়বেন না।আপনি কারোর একার জন্য না।আপনি হচ্ছেন মানবতার সেবক তাই আপনাকে মানবতার সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে হবে।আপনাকে সাথে পেয়ে রক্তের বন্ধন পরিবার গর্বিত।
রক্তের বন্ধন বৃহৎ পরিবারের পক্ষ থেকে আপনার জন্য রইলো অফুরন্ত ভালবাসা এবং জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
শুভ জন্মদিন।

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান

কতটা বিষাক্ত চন্দ্রবোড়া সাপ!

0

 

পৃথিবীতে নানা প্রজাতির সাপ রয়েছে। খুব কম দেশই আছে যেখানে সাপ নেই। এরা যেমন ডিম পাড়ে, আবার অনেক প্রজাতির সাপ ডিম না পেড়ে বরং বাচ্চা দেয়। বাচ্চা প্রসব করা এমন এক প্রজাতির সাপ চন্দ্রবোড়া। অনেকে চন্দ্রবোড়া সাপকে উলুবোড়া সাপও বলে থাকেন। সাবধান, এরা কিন্তু খুবই বিষধর।

তবে এই সাপ সবচেয়ে বিষাক্ত নয়। এর বিষ দাঁতের জন্য মাঝে মধ্যেই অনেকে দংশিত হন। কামড় দিলে এর বিষক্রিয়ায় দংশিত মানুষের শরীরের রক্ত চলাচলে (স্বাভাবিক) সমস্যা দেখা দেয়। এ কারণে অনেক যন্ত্রণা অনুভূত হয়। পরে ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। এ সাপ এতটাই ভয়ঙ্কর যে, তা দেখা মাত্র কামড় খাওয়ার আগেই অনেকে ভয়ে হার্ট অ্যাটাকের মতো ঝুঁকিতে পড়ে যায়। একটি স্ত্রী চন্দ্রবোড়া ২০ থেকে ৪০টি বাচ্চা দেয়।

শুনলে আরো অবাক হবে, অনেক সময় ৭০-৭৫টি বাচ্চাও দিয়ে থাকে। সদ্যপ্রসূত বাচ্চা ৮ থেকে ১০ ইঞ্চি লম্বা হয়। বেশ মোটাসোটা এদের দেহ। তবে লেজ ছোট ও অপেক্ষাকৃত সরু। প্রাপ্তবয়স্ক চন্দ্রবোড়ার দেহের দৈর্ঘ্য হয়ে থাকে এক মিটার বা তার চেয়েও কিছু বেশি। তবে লেজসহ সর্বোচ্চ সাড়ে ৫ ফুট লম্বাও হয়ে থাকে।চন্দ্রবোড়া বাস করতে পছন্দ করে নিচু জমির ঘাসযুক্ত উন্মুক্ত পরিবেশে। কিছুটা শুকনো পরিবেশও পছন্দ করে। এরা নেশাচর হলেও মাঝে মধ্যে দিনেও দেখা যায়। কোনো এক জায়গায় ঘাপটি মেরে বসে থেকে কৌশলে ব্যাঙ, টিকটিকি, ইঁদুর, ছোট পাখি ইত্যাদি ধরে খায়।চন্দ্রবোড়া বেশি দেখতে পাওয়া যায় ইন্দোনেশিয়া, বার্মা, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, নেপাল, পাকিস্তান, চীনের দক্ষিণাঞ্চলে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও নাকি মাঝে মধ্যে চন্দ্রবোড়া দেখা যায়।

এ বিষাক্ত সাপ বাংলাদেশেও আছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের দুর্লভ আবাসিক সাপ এ চন্দ্রবোড়া। দেশের সব জেলাতেই কমবেশি আছে। কোনো কোনো স্থানে দেখা যায় ব্যাপকভাবে। সবচেয়ে বেশি দেখা যায় রাজশাহীতে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, আমাদের দেশে এ সাপ মহাবিপন্ন। তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশে তা মহাবিপন্ন নয়। আর সে কারণেই আমাদের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে প্রজাতিটি সংরক্ষিত। এর বিষ দিয়ে মানুষের ওষুধ তৈরি করা হয়।

 

 

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রান