সীযুপ্রফা পাঠাগার উদ্বোধন করলেন সীতাকুন্ড যুব প্রগতিশীল ফাউন্ডেশন।

 

সীতাকুন্ড প্রতিনিধি: মোঃ মহিন উদ্দিন

চট্রগ্রামে সীতাকুন্ডে, সীতাকুন্ড যুব প্রগতিশীল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হতদরিদ্র গরীব ছেলে মেয়েদের শিক্ষা বিস্তার বৃদ্ধি করার লক্ষে সীযুপ্রফা পাঠাগার উদ্বোধন করা হয়েছে।

হতদরিদ্র, গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বিস্তার প্রসারিত করার লক্ষে বিনামূল্যে পড়াশোনা করানো এবং প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো পৌছে দেওয়ার উদ্যোগে পথ চলার যাত্রা শুরু করেছেন “সীযুপ্রফা পাঠাগার”

শিক্ষা মানুষের একটি মৌলিক অধিকার। বর্তমান পৃথিবীতে মাথা উঁচু করে বাঁচতে হলে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। যেই সমাজে মানুষ যত বেশি শিক্ষিত সেই সমাজ ততো বেশি উন্নত।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের সব শিক্ষার্থী বেকার সময় পার করছে। এর মাঝে অনেকে বিভিন্ন বাজে আড্ডার সাথে জড়িত হয়ে যাচ্ছে। এই কথা গুলো চিন্তা করে সীতাকুন্ড যুব প্রগতিশীল ফাউন্ডেশন “সীযুপ্রফা পাঠাগার” স্থাপন করেছে IIUC কুমিরা, সীতাকুন্ড, চট্রগ্রামে।

সীতাকুন্ড যুব প্রগতিশীল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সীযুপ্রফা পাঠাগার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সীযুপ্রফা ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশক জনাব মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, নুর উদ্দিন, সেলিম আলমগীর এবং জসিমসহ আরও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উক্ত পাঠাগার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সঞ্চালনায় ছিলেন শেখ মোহাম্মদ আলফাজ। এবং সভাপতিত্ব করেছেন সীতাকুন্ড যুব প্রগতিশীল ফাউন্ডেশনের অন্যতম পৃষ্ঠাপোষক উপদেশটা এম আলা উদ্দিন চৌধুরী।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, যদি প্রত্যেকটি এলাকায় এই ভাবে একটি করে পাঠাগার স্থাপন করা হয় তাহলে প্রত্যেকটা শিক্ষার্থী বিভিন্ন শিক্ষা মূলক বই পড়ে জ্ঞানচর্চা আলোকে আলোকিত জীবন গড়ে তুলতে পারবে।
বিশেষ অতিথি নুর উদ্দিন বলেন, শিক্ষার্থীরা বেকার সময় বিভিন্ন বাজে আড্ডার মাধ্যমে কাটিয়ে থাকে, তারা যদি পাঠাগারে গিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা মূলক বই পুস্তক পড়ে তাহলে জ্ঞানচর্চা, মানস গঠন, সৃজনশীল চেতনার বিকাশের মাধ্যমে শিক্ষা বিস্তারের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতি মোঃ এম আলা উদ্দিন চৌধুরী বলেন, প্রতিটা শিক্ষার্থীকে পাঠাগারে বই পুস্তক পড়ার ব্যাপারে উৎসাহিত করতে হবে। যেন তারা পড়াশুনার পাশা পাশি অবসর সময় বাজে কাজে আড্ডা না দিয়ে পাঠাগারে এসে বিভিন্ন ধরনের বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares